আজ সকাল ১০টায় নতুন এমপিদের শপথ, বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার

এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় এই জমকালো অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয়

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

আজ সকাল ১০টায় নতুন এমপিদের শপথ, বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার
ছবি: Inside Bangla
Aa

এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় এই জমকালো অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।

আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, এবার এমপিরা ২ দফায় শপথ গ্রহণ করবেন- প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে এবং দ্বিতীয়বার রাষ্ট্র সংস্কারের বিশেষ অঙ্গীকার নিয়ে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে। সংসদ সচিবালয় ইতিমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হলেও এবার তাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই প্রথম সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত পরিবেশে শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় প্রথম সরকারের (প্রবাসী সরকার) শপথ নেওয়ার পর, এমন বড় পরিসরে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে দেশি-বিদেশি প্রায় ১ হাজার ২০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে, এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি মেধাবী তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে দায়িত্ব পাচ্ছেন তুলনামূলক কম বিতর্কিত ও অতীতে সফলভাবে মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন এমন প্রবীণ নেতারা। অন্যদিকে, তরুণ ও মেধাবী নেতাদের প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে সরকারে নতুন প্রাণের সঞ্চার করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন