ইন্দোনেশিয়ায় ‘ডোরেমন’ বন্ধ

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল রাজাওয়ালি চিত্র থেকে চিরতরে বিদায় নিল সবার প্রিয় ‘ডোরেমন’। বিশ্বখ্যাত কার্টুনটির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তে দেশটির কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া। সারা বিশ্বের মতো নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে ইন্দোনেশিয়ার ঘরে ঘরে ‘ডোরেম

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

৯ জানুয়ারি, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

ইন্দোনেশিয়ায় ‘ডোরেমন’ বন্ধ
ছবি: Inside Bangla
Aa

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল রাজাওয়ালি চিত্র থেকে চিরতরে বিদায় নিল সবার প্রিয় ‘ডোরেমন’। বিশ্বখ্যাত কার্টুনটির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তে দেশটির কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া।

সারা বিশ্বের মতো নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে ইন্দোনেশিয়ার ঘরে ঘরে ‘ডোরেমন’ যেন ছিল একটি পরিবার। নোবিতার ভুল করা, জিয়ান-সুনিওর দুষ্টুমি আর ডোরেমনের অদ্ভুত সব গ্যাজেট শুধু আনন্দই দেয়নি, শিখিয়েছে বন্ধুত্ব আর দায়িত্ববোধ। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ সময় থেকেই ইন্দোনেশিয়ার সেই চ্যানেল থেকে ডোরেমনকে আর দেখা যাচ্ছিল না। পরে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের শুরু থেকেই চ্যানেলটি তাদের সম্প্রচার সূচি থেকে এই আইকনিক কার্টুনটি সরিয়ে নিয়েছে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে; নেটিজেনদের মাঝে বইছে স্মৃতির জোয়ার। এমন সংবাদে ইন্দোনেশিয়াসহ আশপাশের দেশগুলোর ভক্তরা তাদের শৈশব হারানোর আক্ষেপ করছেন। তবে এটি বন্ধ হওয়ার কোনো ঘোষণা এখন পর্যন্ত আসেনি।

উল্লেখ্য, জাপানের ফুজিকো এফ. ফুজিও ১৯৬৯ সালে সর্বপ্রথম নির্মাণ করে শিশুতোষ জনপ্রিয় কার্টুন ‘ডোরেমন’। কার্টুনে দেখানো হয় ‘ডোরেমন’ হলো এক নীল রোবট বিড়াল। যার সঙ্গী নোবিতা ও তার বন্ধুরা। কার্টুনটিতে শিশুদের ভুল, বন্ধুত্ব, দায়িত্ববোধ ইত্যাদির মতো নৈতিক গুণগুলো শেখানো হয়। প্রচারের শুরুতে জাপানে কার্টুনটি জনপ্রিয়তা পেলেও বিশ্বব্যাপী এর জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে নব্বই দশক থেকে।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন