উপকূলে ছয় শতাধিক চিংড়ি চাষিকে নিয়ে ডিজিটাল প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

শেকৃবি প্রতিনিধি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষ আধুনিক ও টেকসই করতে পাঁচ দিনব্যাপী কারিগরি কর্মশালা “চিংড়ি চাষে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার” আজ শুরু হয়েছে। দ্যা ইউনিভার্সিটি অব টোকিও এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালার প্রথম দিনের আয়োজ

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

৪ মে, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

উপকূলে ছয় শতাধিক চিংড়ি চাষিকে নিয়ে ডিজিটাল প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু
ছবি: Inside Bangla
Aa

শেকৃবি প্রতিনিধি

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষ আধুনিক ও টেকসই করতে পাঁচ দিনব্যাপী কারিগরি কর্মশালা “চিংড়ি চাষে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার” আজ শুরু হয়েছে। দ্যা ইউনিভার্সিটি অব টোকিও এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালার প্রথম দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় খুলনার ডুমুরিয়ায়।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

কর্মশালায় ছয় শতাধিক চিংড়ি চাষি অংশ নিচ্ছেন। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আয়া সুজুকি এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। তাঁদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে চাষিদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নিচ্ছেন আরও কয়েকজন দেশীয় বিশেষজ্ঞ। তাঁরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সারওয়ার, ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহেদ মো. জিল্লুর রহমান রিগান, আশাশুনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তাওহিদ হাসান, রামপাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শোহেবুল ইসলাম।

কর্মশালার লক্ষ্য আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চিংড়ি চাষের প্রচলিত পদ্ধতিকে আরও কার্যকর ও উৎপাদনশীল করা এবং পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সহিষ্ণু মৎস্যচাষ নিশ্চিত করা।পাঁচ দিনব্যাপী এ কর্মশালা পর্যায়ক্রমে পাঁচটি উপকূলীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী ৫ মে আশাশুনি (সাতক্ষীরা), ৬ মে শ্যামনগর (সাতক্ষীরা), ৭ মে রামপাল (বাগেরহাট) এবং ৮ মে বাগেরহাট সদর এলাকায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।

কর্মশালার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ পদ্ধতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে। এ জন্য অংশগ্রহণকারী চাষিদের চারটি দলে ভাগ করা হয়েছে— একটি নিয়ন্ত্রণ দল, একটি শুধুমাত্র কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দল, একটি সাক্ষরতা ও গণনাদক্ষতা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দল এবং একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দল। এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে কোন ধরনের প্রশিক্ষণ চিংড়ি চাষের উন্নয়নে সবচেয়ে কার্যকর।

আয়োজকরা আশা করছেন, এ কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতের কৃষি ও মৎস্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন এবং নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন