উপজেলা পরিষদের অনুষ্ঠানের খাবার খেয়ে অসুস্থ ১৫ মুক্তিযোদ্ধা

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

২৮ মার্চ, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

উপজেলা পরিষদের অনুষ্ঠানের খাবার খেয়ে অসুস্থ ১৫ মুক্তিযোদ্ধা
ছবি: Inside Bangla
Aa

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা প্রশাসনের দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংবাদকর্মীরা এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ও বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ বাগমারা উপজেলা প্রশাসন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

সূত্র জানায়, এতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুধীজন সহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ ও সূরা সদস্য ডা. আব্দুল বারী।

সুধীজনদের প্যাকেটকৃত ডিম, ডাল, সাদা পোলাও, খাশির গোশত দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। বাগমারা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রদীপ কুমার সিংহ জানান, গতকাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যে, খাদ্য সরবরাহ করা হয় তা ছিল অস্বাস্থ্যকর, পচা, বাসি, টক এবং দুর্গন্ধযুক্ত। এ খাবারের অংশ বিশেষ খেয়ে তিনি পেড়ের পিড়ায় ভোগছেন। তিনি ছাড়াও অনুষ্ঠানের খাবার খেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংবাদকর্মী সহ অন্ততঃ ১৪/১৫ জন পেটের পিড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানে

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, আমজাদ হোসেন, সহ তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, আমি এতটাই দুর্বল হয়েছিলাম যে, দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে পারিনি।

অপর দিকে বাগমারা উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সূত্রে জানা গেছে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম প্রায় ১২ মিনিটের সভাপতির বক্তব্যে ঢালাওভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদদের স্মরণ করলেও, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেকের রহমানের নাম একটি বারও উচ্চারণ করেননি। সেকারণে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

এ প্রসঙ্গে বাগমারা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শামসুজজোহা সরকার বাদশা বলেন, বাগমারার ইউএনও সাহেব আওয়ামী লীগের দোসর এবং শাহবাগী ইউএনও। সেকারণে তিনি সুকৌশলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নামও একবার মুখে আনেননি।

দুর্গন্ধযুক্ত খাবার সমন্ধে মুঠোফোনে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরকম কোন তথ্য আমার জানা নেই। ওই খাবার আমি সহ আমার অফিসাররা খেয়েছি। কোন সমস্যা হয়নি। অপর প্রশ্নের জবাবে বলেন, খাবারগুলো বাগমারা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানে
    আরও পড়ুন