কুবি ভিসির পদত্যাগ ও গ্রেফতারসহ ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উপস্থাপন করেন সংগঠনটির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

৬ মে, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

কুবি ভিসির পদত্যাগ ও গ্রেফতারসহ ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের
ছবি: Inside Bangla
Aa

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উপস্থাপন করেন সংগঠনটির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্রদল নেতারা বলেন, দীর্ঘ সময়ের স্থবিরতার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি নতুন বাংলাদেশ ও উন্নত ক্যাম্পাসের প্রত্যাশা করেছিল। তবে তাদের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে প্রশাসন গঠন করা হয়েছে।

তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্য একজন ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও দায়িত্বে বহাল রয়েছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্যাম্পাসে উন্নয়নের পরিবর্তে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং পক্ষপাতমূলক নিয়োগ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ ও গ্রেফতারসহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। তারা ২০০৯ সাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সব নিয়োগের তদন্ত প্রতিবেদন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ, উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠির জবাব প্রকাশের দাবি জানায়। পাশাপাশি গত ১৮ মাসে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ, উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ অভিযুক্ত প্রশাসনের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণ, আবাসিক হল ও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান উন্নয়ন এবং স্বল্প অপরাধে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার না করার নীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অকার্যকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভা এবং নিয়োগ বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবহির্ভূত। এতে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন