গোদাগাড়ীতে মৎস্যজীবী নেতার বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে পুকুর ইজারা নেওয়ার অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা এলাকায় পুকুর ইজারা প্রদানকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল-এর গোদাগাড়ী পৌর শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দীন বুশের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ইজারা বাতিলে

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

২৭ মার্চ, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

গোদাগাড়ীতে মৎস্যজীবী নেতার বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে পুকুর ইজারা নেওয়ার অভিযোগ
ছবি: Inside Bangla
Aa

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা এলাকায় পুকুর ইজারা প্রদানকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল-এর গোদাগাড়ী পৌর শাখার সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দীন বুশের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ইজারা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন একটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জোত জীবন পশ্চিমপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন দাবি করেন, ১৪৩৩-১৪৩৫ বঙ্গাব্দ মেয়াদের জন্য পুকুর ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি গোদাগাড়ী উপজেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তবে তিনি বা তার সমিতি ওই ইজারায় অংশগ্রহণ করেননি।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

অভিযোগে বলা হয়, জেলা সমবায় অফিসের পরিদর্শক মোঃ খাইরুল ইসলাম সমিতির কাগজপত্র অফিস থেকে ফটোকপি করে অপব্যবহার করেন। পরে তিনি বেলাল উদ্দীন বুশের সঙ্গে যোগসাজশে ওই কাগজপত্র ব্যবহার করে অবৈধভাবে ইজারায় অংশগ্রহণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত ১৬ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত অনুমোদিত তালিকার ৪২ ও ৬৮ নম্বর ক্রমিকের পুকুর ইজারায় জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট তালিকায় সভাপতির স্থানে মোঃ আলাউদ্দিনের নাম ব্যবহার করা হলেও তার পরিবর্তে বেলাল উদ্দীন বুশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয় এবং সভাপতির স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

এছাড়া একই কৌশলে তালিকার ৪২, ৫০, ৫২, ৬৪, ৬৮, ৭৬, ৮৮, ১০৬, ১১৯, ১২১, ১২৩, ১৫১ ও ১৬৬ নম্বর ক্রমিকের পুকুর ইজারাও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে একাধিক ক্ষেত্রে একই মোবাইল নম্বর (০১৯১৭৪৬৬০০৪) ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে সংশ্লিষ্ট সব পুকুরের ইজারা বাতিল, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত সমবায় পরিদর্শক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিদর্শক খাইরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যে যা অভিযোগ করছে করুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। যেসব কাগজপত্রের কথা বলা হচ্ছে, তা জেলা অফিসার ছাড়া অন্য কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে বেলাল উদ্দীন বুশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার নামে কোনো ইজারা নেই। আমি অসুস্থ ছিলাম এবং দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করছে। তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। কেউ হয়তো আমার ফোন নম্বর ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।”

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন