বর্ষবরণে প্রস্তুত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

ইকবাল মাহমুদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় চৈত্রের শেষ সময়ে নতুন বছরের আগমনী বার্তা বইছে চারদিকে। পুরোনো ক্লান্তি ভুলে নতুন আশা নিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে প্রস্তুত দেশ। সেই প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ও। রোববার (১২ এপ্রিল) ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নববর

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

১২ এপ্রিল, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

বর্ষবরণে প্রস্তুত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
ছবি: Inside Bangla
Aa

ইকবাল মাহমুদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

চৈত্রের শেষ সময়ে নতুন বছরের আগমনী বার্তা বইছে চারদিকে। পুরোনো ক্লান্তি ভুলে নতুন আশা নিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে প্রস্তুত দেশ। সেই প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ও।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

রোববার (১২ এপ্রিল) ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নববর্ষের আয়োজন ঘিরে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত চারুকলা অনুষদ। ভবনের ৩য় তলায় চলছে রঙ-তুলির কাজ, মুখোশ তৈরি এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতি।

প্রতি বছরের মতো এবারও নানা আয়োজনের মাধ্যমে নববর্ষকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা।

সকাল থেকে দুপুর যেকোনো সময় চারুকলা অনুষদে গেলে দেখা যায় জমজমাট পরিবেশ। কেউ ছবি আঁকছেন, কেউ রং করছেন। বাঘ, সিংহ, প্যাঁচা, কবুতর, ফুল ও পাখিসহ বিভিন্ন নকশার মুখোশ তৈরি করতে ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা।এছাড়া বৈশাখী শোভাযাত্রার জন্য ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে বড় একটি পাখির কাঠামো তৈরির কাজও চলছে।

চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ফাহমিদা রিমঝিম বলেন, এ বছর তো সময় কম। এই কম সময়ের মধ্যেও আমরা যতটা ভালো করা সম্ভব, সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছি। আমাদের কাজও মোটামুটি শেষের দিকেই। এবার আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য স্ট্রাকচারের কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া মুখোশ, পেঁচা, পাখি, বাঘ, পালকি, আমাদের বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। তো আশা করছি, ভালোভাবেই শেষ করতে পারব সবকিছু।

চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. তপন কুমার সরকার বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও জাককানইবি চারুকলা অনুষদ বৈশাখকে বরণ করতে নানা আয়োজন করছে। আমাদের কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। যদিও কাজ আগের রাত পর্যন্ত চলবে। তবুও আমরা প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে ফেলেছি। বৈশাখের শোভাযাত্রার যেই মূল লক্ষ্য থাকে, বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা, সেই লক্ষ্যেই এবারও আমরা কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, এবারের আমাদের মূল মোটিফ হলো পায়রা, শান্তির প্রতীক। বর্তমান বিশ্বে যেই যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান, আমরা চাই এসব যুদ্ধ দ্রুতই বন্ধ হোক এবং পৃথিবীতে শান্তি নেমে আসুক। এ ছাড়াও রয়েছে বাঘ, চরকি, বিভিন্ন পাখি, মুখোশ ও অন্যান্য বিভিন্ন অবয়ব যেগুলো বাঙালি ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে। আর গতবছরের তুলনায় এবার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও অনেক বেশি। তাই, কাজ করে আনন্দ পাচ্ছি।

সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজে রঙিন হয়ে উঠছে পুরো ক্যাম্পাস, অপেক্ষা এখন নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন