বাগেরহাটে নিহত একই পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বর আহাদুর রহমান সাব্বিরসহ তার পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমা শেষে মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে জানাজার পর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্
ইনসাইড ডেস্ক
Inside Bangla
১৩ মার্চ, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বর আহাদুর রহমান সাব্বিরসহ তার পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমা শেষে মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে জানাজার পর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাচান চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে ও নতুন বর আহাদুর রহমান সাব্বির, সাব্বিরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ঐশীর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম। এছাড়া বড় ছেলে আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল এবং তাদের তিন সন্তান আলিফ, আরফা ও ইরাম। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মাইক্রোবাস চালক মো. নাঈম শেখও।
অন্যদিকে কনের পক্ষ থেকে নিহত হয়েছেন নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম এবং নানি আনোয়ার বেগম। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে।
আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন হলেও শোকের মাতম থামেনি। স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাকের দুই ছেলে, এক মেয়ে, এক পুত্রবধূ এবং চার নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে তার স্ত্রী ও তিন ছেলে জীবিত থাকলেও পরিবারের বড় একটি অংশ চিরতরে হারিয়ে গেছে।
স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হারানো আশরাফুল আলম জনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। এক নিমেষেই স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন সবাইকে হারালাম। আমি এখন কার মুখ চেয়ে বাঁচব?
জানাজায় অংশ নিয়ে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানিয়েছেন, নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল, জেলা পরিষদ এবং সড়ক পরিবহণ আইনের আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরের মূল কথা
একই বিষয়ের আরও খবর

রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন
৯৯ দিন আগে

শেরপুরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থক হলেন রুবেল
১০৩ দিন আগে
হামের পর ডেঙ্গু, রামেক হাসপাতালে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু
১১৫ দিন আগে

বিষে হারানো প্রাণের স্মরণে রাজশাহীতে ব্যতিক্রমধর্মী শোকমিছিল
১১৫ দিন আগে
