বিশ্ববিদ্যালয়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসক নেই, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
শিহাব আহসান, গবি সংবাদদাতা : সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে কোনো চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে নিজের কাজের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন শিক্ষকরাই। বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বাস্থ্যসেবা নিতে বিপাকে প
ইনসাইড ডেস্ক
Inside Bangla
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

শিহাব আহসান, গবি সংবাদদাতা :
সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে কোনো চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে নিজের কাজের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন শিক্ষকরাই।
বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বাস্থ্যসেবা নিতে বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। সাম্প্রতিক সময়ে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালীন একাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লেও সেবা পেতে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন তাঁরা।
জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) একাডেমিক ভবনের ৫২২ নম্বর কক্ষে এক পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হল থেকে জরুরি সেবার জন্য কল করা হলে প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) হলে এসে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের নির্দেশনায় সেবা দেন। এর আগে গত সপ্তাহের সোমবার (৫ জানুয়ারি) আরেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে জরুরি সেবা চাইলে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক তাঁকে ‘বাইরে গিয়ে ওষুধ কিনে এনে খেতে’ বলেন। এতে ওই শিক্ষার্থী ভোগান্তিতে পড়েন।
ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, “অধিকাংশ শিক্ষার্থীই জানে না যে বিশ্ববিদ্যালয়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বলে কিছু আছে। থাকলেও এই কার্যক্রম কোথায় হয় বা অফিস কোথায়-এটাও অনেকের জানা নেই। ফলে জরুরি অবস্থায় বেশির ভাগ সময় শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হন।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী জানান, “৫ জানুয়ারি পরীক্ষা চলাকালীন তিনি হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করেন। তৎক্ষণাৎ হলে ডিউটিরত শিক্ষকের কাছে জরুরি ওষুধ চাইলে তাঁকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে বলা হয়। এমনকি সাধারণ সহযোগিতাও পাননি তিনি।”
ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া আহমেদ তন্বী বলেন, “জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগকৃত কোনো চিকিৎসক নেই ফলে শিক্ষার্থীদের জরুরী মেডিসিন প্রয়োজন হলে তা দেওয়ার চেষ্টা করি এবং প্রেশার মাপা বা অন্যান্য প্রয়োজনে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান অনুষদের আফরীন আপা কাজ করে থাকে।”
শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যেকোনো সময়ই চিকিৎসকের প্রয়োজন হতেই পারে। হসপিটালও বেশ দূরে এবং এখানে কোনো এম্বুলেন্স ব্যাবস্থাও নেই। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়েই অন্তত একজন চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপস্থিতি জরুরী। অন্যথায় বিড়ম্বনা সৃষ্টি হবে।”
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান জানান, “চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, দ্রুতই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে। নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজে চিঠি দেওয়া হবে, যাতে সেখানকার চিকিৎসকদের মাধ্যমে আপাতত সেবা দেওয়া”
এই খবরের মূল কথা
একই বিষয়ের আরও খবর

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে ইকবাল-মীম
৩৪ দিন আগে

হাবিপ্রবিতে ‘ভেটেরিনারি প্রিমিয়ার লীগ ২০২৬’ এর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ডিভিএম ২৩ ব্যাচ
৩৯ দিন আগে

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুপক্ষে সংঘর্ষ, দুই সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ
৪১ দিন আগে

চারবার ব্যর্থতার পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর স্টার্টআপ ‘সুপারজেন’
৫৯ দিন আগে
