মাভাবিপ্রবির প্রক্টরকে ঘিরে রাজনৈতিক অতীত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

৪ এপ্রিল, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

মাভাবিপ্রবির প্রক্টরকে ঘিরে রাজনৈতিক অতীত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা
ছবি: Inside Bangla
Aa

মো:জিসান রহমান,‎ মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেনকে ঘিরে তার অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পূর্ববর্তী সময়ের কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ছবিগুলোতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন দলীয় ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অধ্যাপক ইমাম হোসেনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে ১৫ আগস্টের কর্মসূচি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-এর সঙ্গে গ্রুপ ছবিতে তাকে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ নিয়ে ক্যাম্পাসের একাংশ মনে করছে, প্রক্টর হওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রভাবিত করার প্রবণতা থেকেই তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের মতে, এ ধরনের সংশ্লিষ্টতা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানে

অন্যদিকে, আরেকটি পক্ষ বলছে, তৎকালীন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা স্বাভাবিক ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তাদের দাবি, এটিকে সরাসরি রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

বিতর্কের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন বলেন, তিনি সবসময় পেশাদারিত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তার ভাষায়, “তৎকালীন সময়ে দায়িত্ব ও রাষ্ট্রীয় কর্তব্য পালনের অংশ হিসেবেই আমাকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব ছবি প্রচার করছে, তাদের উদ্দেশ্য সৎ নয়।”

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্টের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. তৌহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত আদেশে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেনকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে তার ‘অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা’ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না -এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে চলছে নানা আলোচনা। সচেতন মহল বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানে
    আরও পড়ুন