রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রোদ পোহানো উৎসব’

রাজশাহীতে শীতকালীন প্রকৃতি ও সংস্কৃতির আবহে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রোদ পোহানো উৎসব’। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবকে কেন্দ্র করে কলেজ মাঠে সৃষ্টি হয় অন্যরকম দৃশ্য। শীতের রোদে আনন্দ আর পিঠার গন্ধ

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

২০ জানুয়ারি, ২০২৬
পড়তে ১ মিনিট

রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রোদ পোহানো উৎসব’
ছবি: Inside Bangla
Aa

রাজশাহীতে শীতকালীন প্রকৃতি ও সংস্কৃতির আবহে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রোদ পোহানো উৎসব’। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবকে কেন্দ্র করে কলেজ মাঠে সৃষ্টি হয় অন্যরকম দৃশ্য। শীতের রোদে আনন্দ আর পিঠার গন্ধে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাজানো হয় বিভিন্ন পিঠার স্টল, যেখানে শীতের ঐতিহ্যবাহী নানা রকম পিঠা পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে, শিক্ষার্থী ও অনুষ্ঠানে আগতদের কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে সারি সারি চেয়ারে বসে রোদ পোহাতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

উৎসব আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আয়োজক প্রফেসর ড. সাইয়েদুর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিটি ঋতুকে ঘিরে নানা আয়োজন দেখা যায়—বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি কিংবা বর্ষা উৎসব। কিন্তু শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব ছাড়া তেমন কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না। সেই চিন্তা থেকেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘রোদ পোহানো উৎসব’ আয়োজন করা হয়েছে। শীতের রোদ, প্রকৃতি আর আনন্দ—এই তিনটিকে একসঙ্গে উপভোগ করাই ছিল মূল লক্ষ্য।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম তোহা বলেন, স্যারের এমন উদ্যোগ সত্যিই ব্যতিক্রম। আমরা সকাল থেকেই পিঠার স্টল সাজিয়ে বসেছি। খোলা মাঠে শীতের আমেজের সঙ্গে রোদ পোহাতে বেশ ভালোই লাগছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদা মেঘলা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন আমাদের মানসিক সতেজতা বাড়ায় এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে। সাথে সাথে নতুন এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে ভালো লাগছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের আশা, এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিক্ষাঙ্গনে শীতকালীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন