২৭ ঘণ্টা ধরে উদ্ধারের চেষ্টা, ৪২ ফুট খুঁড়েও সন্ধান মেলেনি শিশুটির

২৭ ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানেও খোঁজ মেলেনি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদের। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গর্ত খুঁড়ে ৪২ ফুট নিচ পর্যন্ত ক্যামেরা দিয়ে অনুসন্ধান করেও শিশুটির খোঁজ পাননি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন বড় পরিসরে মাটি খোঁড়া হচ্ছে।

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
পড়তে ১ মিনিট

২৭ ঘণ্টা ধরে উদ্ধারের চেষ্টা, ৪২ ফুট খুঁড়েও সন্ধান মেলেনি শিশুটির
ছবি: Inside Bangla
Aa

২৭ ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানেও খোঁজ মেলেনি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদের। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গর্ত খুঁড়ে ৪২ ফুট নিচ পর্যন্ত ক্যামেরা দিয়ে অনুসন্ধান করেও শিশুটির খোঁজ পাননি।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন বড় পরিসরে মাটি খোঁড়া হচ্ছে। শিশুটি উদ্ধারে আরও সময় লাগতে পারে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খননের কাজ করা হচ্ছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে শিশু পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুর নাম সাজিদ। সে পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিব উদ্দীনের ছেলে।

তাকে উদ্ধারের জন্য সবশেষ চেষ্টা হিসেবে তিনটি এক্সক্যাভেটর দিয়ে আশপাশের মাটি খনন করা হয়েছে। খনন করা অংশ থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শিশুটি যে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করছে উদ্ধারকারীরা। তবে পানি ও কাদার কারণে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।

এর আগে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক দফা নলকূপের গর্তে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ক্যামেরা নামায়। কিন্তু গর্তের ভেতরে ওপর থেকে পড়া মাটি ও খড়ের কারণে শিশুটিকে তারা শনাক্ত করতে পারেনি।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাইজুল ইসলাম বলেন, মাটির ওপর থেকে ৪২ ফুট গভীরতায়ও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে তাই আশপাশের মাটি খননের বিকল্প নেই। সেই কাজটিই এখন করছে ফায়ার সার্ভিস।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন