গণভোট উপেক্ষায় ক্ষোভ, রাজপথে নামার ঘোষণা বিরোধীদলীয় নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা হোক -এটি কোনো নাগরিকই চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার রক্ষায় বিরোধী দল হিসেবে প্রয়োজন হলে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিক

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

৪ এপ্রিল, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

গণভোট উপেক্ষায় ক্ষোভ, রাজপথে নামার ঘোষণা বিরোধীদলীয় নেতার
ছবি: Inside Bangla
Aa

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা হোক -এটি কোনো নাগরিকই চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার রক্ষায় বিরোধী দল হিসেবে প্রয়োজন হলে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের দায়িত্ব, আর সেই দায়িত্ব পালনে সরকারকে সহযোগিতা ও তদারকি করা বিরোধী দলের কর্তব্য। “সরকার যদি জনগণের অধিকার লঙ্ঘন করে, আমরা তা ইতিবাচকভাবে তুলে ধরব। সংশোধন না হলে প্রতিবাদ করব, প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলব—এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব,” বলেন তিনি।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা অস্বীকার করছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও ফল প্রকাশের পর সেই অবস্থান থেকে সরে গেছে।

তিনি বলেন, সংসদে গণভোটের রায় নিয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি, যা জাতির জন্য হতাশাজনক। “আমরা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—তাদের রায় বাস্তবায়ন করব। সংসদে তা না হওয়ায় আমরা আবার জনগণের কাছে ফিরে এসেছি এবং আন্দোলন শুরু করেছি,” যোগ করেন তিনি।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে দাবি আদায়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা চাই না বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম হোক। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।”

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের স্বচ্ছতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “সমস্যা সমাধানে খোলামেলা আলোচনা দরকার। সবাই মিলে কাজ করলে সংকট মোকাবিলা সম্ভব।”

শিক্ষা খাতে প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তেলের সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ডিজিটাল ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। “শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর প্রভাব পড়বে,” বলেন তিনি।

তিনি বহুদলীয় সংলাপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় নেতা শাহ আলম তুহিন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন