টাইটানস স্পেসের অ্যাস্ট্রোনট প্রার্থী হলো বাংলাদেশি সারা করিম
বাংলাদেশের মহাকাশ অভিযাত্রার পথে নতুন ইতিহাস লিখতে যাচ্ছেন তরুণী সারা করিম। টাইটানস স্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ঘোষণা করেছে যে, তারা ২০২৬–২০৩০ সম্ভাব্য ব্যাচের জন্য সারা করিমকে অ্যাস্ট্রোনট ক্যান্ডিডেট (ASCAN) হিসেবে নির্বাচন করেছে। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দেশের পতাকা নিয়ে মহাকাশে যাওয়ার সম্
ইনসাইড ডেস্ক
Inside Bangla
৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
পড়তে ২ মিনিট

বাংলাদেশের মহাকাশ অভিযাত্রার পথে নতুন ইতিহাস লিখতে যাচ্ছেন তরুণী সারা করিম। টাইটানস স্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ঘোষণা করেছে যে, তারা ২০২৬–২০৩০ সম্ভাব্য ব্যাচের জন্য সারা করিমকে অ্যাস্ট্রোনট ক্যান্ডিডেট (ASCAN) হিসেবে নির্বাচন করেছে। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দেশের পতাকা নিয়ে মহাকাশে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন।
এই স্বপ্নময় অর্জনের কথা গতকাল ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন সারা করিম। সেই পোস্টে উচ্ছ্বাস আর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ!! আমি বিনম্র ও সম্মানিত বোধ করছি… আজ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে একজন মহাকাশচারী হওয়ার পথে প্রথম পদক্ষেপ নিলাম। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক থাকলে আমি হবো প্রথম বাংলাদেশি, যে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে মহাকাশে যাবে।”
মাত্র নয় বছর বয়সে, বাবা–মেয়ের এক বিকেলের স্মৃতি থেকেই তার মহাকাশ স্বপ্নের সূচনা। সুনীতা উইলিয়ামসের মহাকাশযাত্রা দেখা সেই দিনটিই তাকে বদলে দিয়েছিল। তার ভাষায়, “নয় বছরের ছোট মেয়েটি—যে একদিন বাবার সঙ্গে সুনীতা উইলিয়ামসের মহাকাশ থেকে ফেরা দেখছিল—তার ভেতরে কিছু একটা জেগে উঠেছিল। যে আগুনটা আর কোনোদিন নিভে যায়নি।”
এবার সেই শৈশবের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। সারা করিমের অ্যাস্ট্রোনট প্রশিক্ষণ শুরু হবে আগামী বছর। ২০২৯/৩০ সালে টাইটানস জেনেসিস মহাকাশযানে চড়ে ৩০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবীর কক্ষপথে তার ঐতিহাসিক মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই মিশনের নেতৃত্ব দেবেন নাসার অভিজ্ঞ মহাকাশচারী ও টাইটানস স্পেসের চিফ অ্যাস্ট্রোনট বিল ম্যাকআর্থার।
নিজের সাফল্যকে ব্যক্তিগত অর্জনের বাইরে দেখছেন সারা। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তটা কেবল আমার নয়। নীরবে স্বপ্ন দেখা প্রতিটি বাংলাদেশি মেয়ের, প্রতিটি শিশুর যে আকাশের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত হয়, প্রতিটি মায়ের—যারা নিজের কাঁধে পুরো একটা মহাবিশ্ব বহন করেন।”
জীবনের বড় সিদ্ধান্ত ও প্রতিটি সংগ্রামের সময় পাশে থাকা মানুষটির প্রতিও ছিল তার আবেগমাখা কৃতজ্ঞতা, “To my man, thank you for holding my world together.”
সারা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টাইটানস স্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের পুরো টিমকে। তার ভাষায়, “Neal S. Lachman এবং পুরো টাইটানস স্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ পরিবারকে ধন্যবাদ—একটি মেয়ের ওপর ভরসা রাখার জন্য, যার ছিল শুধু একটা স্বপ্ন আর আশায় ভরা একটা আকাশ।”
শেষে তিনি বলেন, “শৈশবের স্বপ্ন অবশেষে সত্যি হতে চলেছে। এটি কেবল শুরু।”
বাংলাদেশি একটি মেয়ের এই স্বপ্নযাত্রা শুধু দেশের গর্বই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্নের পরিধিকে আরও বড় করে দেবেআকাশ ছোঁয়ার মতো বড়।
এই খবরের মূল কথা
একই বিষয়ের আরও খবর

সোশ্যাল মিডিয়ায় বট বাহিনী কী, কীভাবে কাজ করে
১৪৪ দিন আগে

চট্টগ্রাম সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে স্টার্টআপ মিলনমেলা
২০০ দিন আগে

গুগলে চাকরি ছেড়ে নিজের উদ্ভাবনে সফল তরুণ বিজ্ঞানী নাহিদ
২০২ দিন আগে

বড় পরিবর্তনের মুখে মেসেঞ্জার
২০৯ দিন আগে
