রাজনীতির নামে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না: মিলন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী–৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়েছেন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক

ই

ইনসাইড ডেস্ক

Inside Bangla

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
পড়তে ২ মিনিট

রাজনীতির নামে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না: মিলন
ছবি: Inside Bangla
Aa

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী–৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়েছেন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি)

বিজ্ঞাপনআপনার বিজ্ঞাপন এখানেবিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

সকাল থেকে তিনি পবা উপজেলার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের আফি নেপাল পাড়া এলাকা থেকে প্রচারণা শুরু করেন। এর আগে পাকুরিয়া মাঠে নেমে কৃষকদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সমর্থন চান। পরে আফি নেপাল পাড়ায় এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেন তিনি।

সভায় মিলন বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামে একটি দল রাজনীতির নামে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে। তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ধর্মের নামে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা যায় না। মানুষ বেহেশত না দোজখ পাবে, তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। তাই তাদের কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “যাদের জনসমর্থন নেই তারাই ভোট কারচুপির আশ্রয় নেয়। বিএনপিকে নিয়ে কথা বলার আগে সংযত হওয়া উচিত।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে মিলন বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য। কৃষির উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান, পবা–মোহনপুর কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় এখানে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে একটি কৃষি ইপিজেড গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং কৃষকদের কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে।

স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। নির্বাচিত হলে প্রতিটি রাস্তার সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি রাস্তা সংস্কার ও নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হবে।”

সব ধর্মের ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম, পাদ্রী, পুরোহিতসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারের সমালোচনা করে মিলন বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে পতিত সরকার জনগণের ওপর অন্যায়-অত্যাচার চালিয়েছে। বিএনপির বহু নেতাকর্মী হত্যা, গুম ও মামলার শিকার হয়েছেন। দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে রাষ্ট্রকে দুর্বল করা হয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিদেশে অবস্থান করে এখনো বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছেন।

দিনভর গণসংযোগে বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের দাবি, হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মিলনের প্রচারণায় নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এদিনের প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহাব উদ্দিন, সদস্য সচিব মোতাহার আলী, যুবদল রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মুজাদ্দেদ জামানী সুমন, যুবদল পবা উপজেলা শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সদস্য মাজদার রহমান, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এই খবরের মূল কথা

    একই বিষয়ের আরও খবর

    আরও পড়ুন